(মন্ত্রী পরিষদে স্থান জনতার দাবি)
দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে সাবেক ফ্যাসিস্ট স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে রাজপথে ও জেল জুলুম এমন নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রামের ইতিহাস খুব কম নেতারই আছে। সেই সংগ্রামের প্রতীক হয়ে উঠেছেন বরিশালের জননেতা আবুল হোসেন খান। আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে বহুবার লাঞ্ছিত হয়েও তিনি কখনো থেমে থাকেননি; বরং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে তার কণ্ঠ আরও দৃঢ় হয়েছে।
বরিশাল জেলার রাজনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। রাজপথে আবুল হোসেন খান দাঁড়ালেই হাজারো নেতাকর্মী তার পাশে এসে দাঁড়াত এ দৃশ্য বরিশালের রাজনীতিতে পরিচিত। এমন এক সময়, যখন স্বৈরশাসকের ভয়ে মানুষ ঘর থেকে বের হতে সাহস পেত না, তখন নিজের প্রাণের ভয় উপেক্ষা করে দেশ ও জনগণের কল্যাণে রাজপথে থেকেছেন তিনি।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর আদর্শ বুকে ধারণ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে গেছেন বরিশাল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে। ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, বরাবরই তিনি ভেবেছেন বাংলার মানুষের কথা—এই চেতনা তার রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি পরতে পরতে স্পষ্ট।
৫ই আগস্ট ছাত্র ও সাধারণ জনগণের আন্দোলনের মুখে স্বৈরশাসকের বিদায়ের পরও তিনি থেমে থাকেননি । সংগ্রামী জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশকে শান্তি ও স্থিতিশীলতার পথে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছেন। সেই সংগ্রামেরই উপহার হিসেবে বরিশাল-০৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে সাধারণ জনগণের বিপুল ভোটে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন সংসদ সদস্য।
বর্তমানে রাজনৈতিক মহলে জোরালো আলোচনা এমন পরীক্ষিত, ত্যাগী ও বলিষ্ঠ কণ্ঠের নেতা যেন মন্ত্রিপরিষদে স্থান পান। দেশ ও জনগণের পক্ষে সংসদে এবং মন্ত্রিসভায় আবুল হোসেন খানের মতো নেতার বক্তব্য শুনতে চায় সাধারণ মানুষ। বরিশালের রাজনীতিতে এই প্রত্যাশা ইতোমধ্যেই নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।